লাইফটাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড তারকা কে, এস, ফিরোজ

ফোরাম প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৬২২ জন দেখেছেন

পুরো নাম : খোন্দকার শহীদ উদ্দিন ফিরোজ (কে, এস, ফিরোজ)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মটর প্রকৌশলী
কর্ম জীবন : সেনাবাহিনী
ক) প্রকল্প পরিচালক/ মহাপরিচালক (ট্রান্সপোর্ট এ- ইকুইপমেন্ট মেইন্টেনেন্স অর্গানাইজেশন (টি ইএমও) ইউএনডিপি এর এফডি প্রকল্প।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। স্বাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। খ) পরিচালক (কারিগরী), বিআরটিসি, গ) বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহযেগিতায় ঢাকা মহানগর পরিবহন প্রকল্পে “ট্রান্সপোর্ট স্পেশালিস্ট”।
নাটকে অভিনয়ের যাত্রা শুরু ১৯৬৪ খ্রী: মঞ্চ নাটক দিয়ে। একেবারেই শখে অভিনয় করতাম। ১৯৬৫ খ্রী: নভেম্বরে প্রথম টেলিভিশনে অভিনয় করার সুযোগ পাই প্রযোজক শ্রদ্ধেয় জামান আলী খান সাহেবের মাধ্যমে। প্রথম নাটক “দ্বীপ তবু জ্বলে”। তারপর চার/পাঁচটি নাটকে অংশগ্রণের পর সামরিক বাহিনীতে যোগদান করি, তাই আর নাটকে অভিনয় সুযোগ হয়ে উঠেনি। এরপর ১৯৭৯ খ্রী: ঢাকার একটি নাট্যগোষ্ঠি “উন্মোচন” এ যোগদান করি এবং দুটি নাটকে অংশগ্রহণ করি। এরমধ্যে “আজরাইলের পোস্ট মর্টাম” নাটকটি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেিেছল। “উন্মোচন” এর কাজ চার বছরের মাথায় এসে শেষ হয়ে যায়। ১৯৮৩ খ্রী: থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে পুনরায় অভিনয় শুরু করি। এরপর শীর্ষ স্থানীয় নাট্যগোষ্ঠি “থিয়েটারে” যোগদান করি ১৯৮৮ খ্রী থেকে এখনো থিয়েটারের সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

উল্লেখযোগ্য নাটক “মঞ্চ” : নাম স্মরণ নেই (প্রথম নাটক) ১৯৬৪ সনের প্রথম দিকে মঞ্চায়ন হয়েছিল। রাহু মুক্তি, আগন্তক, দায়ী কে, আজরাইলের পোস্ট মর্টাম, রাক্ষুসী, কিং লীয়র, বলদ।

বাাংলাদেশ টেলিভিশন: দ্বীপ তবু জ্বলে (প্রচার: ২১ নভেম্বর ১৯৬৫)। উত্তর পুরুষ (প্রচার: ১৩ মার্চ ১৯৬৯)। প্রতিশ্রুতি (ধারাবাহিক), চর আতর জান, সেই এক মানুষ, জোনাকী জ্বলে, অয়োময়, অশ্রু ভেজা ছোঁয়া, বারো রকমের মানুষ, ও আমার চক্ষু নাই, প্রেম নগর (ধারাবাহিক)।

চলচ্চিত্র: লওয়ারিশ, তুমি আমার, শঙ্খনাদ, বাঁশী, চন্দ্রগ্রহণ, দেবদাশ, শিখণ্ডিকথা, নয়ন রহস্য (ফেলুদা সিরিজ)

পদক/সম্মাননা : টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের জন্য : টেনাসিনাস পদক। টেলিভিশন দর্শক ফোরাম পদক ২০০৫ : শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা (ও আমার চক্ষু নাই)।

রাওয়া এর পক্ষ থেকে আজীবন সম্মাননা পদক ২০০৭ : বাংলাদেশ সাংস্কৃতি পরিষদ (বাসপ) পদক ২০০৮। মেজাব এর আজীবন সম্মাননা পদক ২০০৭।
০৮। সহধর্মিনী : মাধবী ফিরোজ, উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী।
কন্যা: নাদিয়া ফিরোজ, নজরুল ও আধুনিক সংগীত শিল্পী। সাদিয়া ফিরোজ, আধুনিক সংগীত শিল্পী। ব্যারিস্টার রাবিয়া জাহান ফিরোজ
ব্যক্তিগত পছন্দ : সংগীত, অভিনয়, দেশভ্রমণ ও সৎ সঙ্গ। লাল গোলাপ, রজনীগন্ধ্যা, প্রিয় ফল আম। অপছন্দ : মিথ্যে বলা।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

এ বছর (২০১৯) টেলিভিশন দর্শক এবং জুরীবোর্ডের বিবেচনায় লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৩ জন।

ডা. এজাজুল ইসলাম

এজাজুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি মূলত একজন ডাক্তার। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে তার নাটকে আগমন। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র শ্রাবণ মেঘের দিন। এর পর তিনি দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি তারকাঁটা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হন।
এজাজুল ইসলাম ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।
এজাজ একজন ডাক্তার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি গাজীপুর চৌরাস্তায় একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখেন। তিনি সরকার নির্ধারিত ৩০০ টাকা ফিতে রোগী দেখেন। তার ভিজিট ফি কম হওয়ায় তাকে গরীবের ডাক্তার নামে ডাকা হয়। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে এজাজুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন।
এজাজুল ইসলাম হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক সবুজ সাথী দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন।[৯] ১৯৯৯ সালে হুমায়ূন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। চলচ্চিত্রটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪), নয় নাম্বার বিপদ সংকেত (২০০৬) ও আমার আছে জল (২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত কমেডি ধাঁচের টক ঝাল মিষ্টি ছায়াছবিতে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৬ সালে বাদল খন্দকার পরিচালিত বিদ্রোহী পদ্মায় নায়েব, তৌকির আহমেদ পরিচালিত রূপকথার গল্প-এ রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার, এসএ হক অলিক পরিচালিত হৃদয়ের কথায় দারোয়ান চরিত্রে অভিনয় করেন। পরের বছর জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত স্বামীর সংসার ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। একই বছর মতিন রহমান পরিচালিত রোমান্টিক-কমেডি তোমাকেই খুঁজছি ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে অনন্য মামুন পরিচালিত খোঁজ-দ্য সার্চ (২০১০) এবং আশরাফুর রহমান পরিচালিত তুমি আসবে বলে (২০১২) মুক্তি পায়। ২০১৪ সালে তিনি মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এক কাপ চা, নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত কঠিন প্রতিশোধ ও ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত কি দারুণ দেখতে ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। তারকাঁটা চলচ্চিত্রে মুসা ভাই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন।
২০১৬ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা (তারকাঁটা) (২০১৪) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছন।

লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড তারকা