নিশো-মেহজাবীন-শিমুলের বিবাহ বিচ্ছেদ

ফোরাম প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫১৭ জন দেখেছেন
BIBAHO
বিবাহ বিচ্ছেদের গল্পে নিশো-মেহজাবীন, সঙ্গে শিমুল

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের বিশেষ চমক হিসেবে নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান হাজির হচ্ছেন বিশেষ চমক নিয়ে।

বরাবরই এই নির্মাতা খেলা করেন গল্প নিয়ে। তাই আসছে ভ্যালেন্টাইন ডে (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে তিনি দর্শকদের দেখাবেন বিচ্ছেদের ভিন্ন রকমের এক গল্প! এরই মধ্যে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘প্রতিদিন’ নামের বিশেষ এই নাটক।

দেশের অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভি’র ব্যানারে নির্মিত এই নাটকে অভিনয় করেছেন ছোট পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় জুটি আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। তাদের সঙ্গে বিশেষ চমক হিসেবে বহুদিন পর অভিনয়ে ফিরছেন মনির খান শিমুল।

‘প্রতিদিন’ এর গল্প প্রসঙ্গে এর নাট্যকার ও নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান বলেন, ‘গল্পটা মূলত বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়া এক দম্পতিকে ঘিরে। তাদের বিচ্ছেদের পর একজনের যদি পুরোনো সম্পর্কের প্রতি টান অনুভব হয় এবং সম্পর্কটা আবার আগের মতো করার সুযোগ না থাকে- তাহলে ঠিক কী কী ঘটতে পারে- সেই বিষয়টি অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছি আমরা। আশা করছি এই ভ্যালেন্টাইনে বিচ্ছেদের গল্পটি দর্শকমনে নতুন ভালোবাসার জন্ম দেবে।’

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন শিরিন আলম, এ কে আজাদ সেতু, শোয়েব মনির, বাশার বাপ্পী প্রমুখ। ‘প্রতিদিন’ ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে উন্মুক্ত হচ্ছে সিএমভি ড্রামা নামের ইউটিউব চ্যানেলে।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

এ বছর (২০১৯) টেলিভিশন দর্শক এবং জুরীবোর্ডের বিবেচনায় লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৩ জন।

ডা. এজাজুল ইসলাম

এজাজুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি মূলত একজন ডাক্তার। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে তার নাটকে আগমন। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র শ্রাবণ মেঘের দিন। এর পর তিনি দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি তারকাঁটা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হন।
এজাজুল ইসলাম ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।
এজাজ একজন ডাক্তার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি গাজীপুর চৌরাস্তায় একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখেন। তিনি সরকার নির্ধারিত ৩০০ টাকা ফিতে রোগী দেখেন। তার ভিজিট ফি কম হওয়ায় তাকে গরীবের ডাক্তার নামে ডাকা হয়। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে এজাজুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন।
এজাজুল ইসলাম হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক সবুজ সাথী দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন।[৯] ১৯৯৯ সালে হুমায়ূন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। চলচ্চিত্রটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪), নয় নাম্বার বিপদ সংকেত (২০০৬) ও আমার আছে জল (২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত কমেডি ধাঁচের টক ঝাল মিষ্টি ছায়াছবিতে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৬ সালে বাদল খন্দকার পরিচালিত বিদ্রোহী পদ্মায় নায়েব, তৌকির আহমেদ পরিচালিত রূপকথার গল্প-এ রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার, এসএ হক অলিক পরিচালিত হৃদয়ের কথায় দারোয়ান চরিত্রে অভিনয় করেন। পরের বছর জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত স্বামীর সংসার ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। একই বছর মতিন রহমান পরিচালিত রোমান্টিক-কমেডি তোমাকেই খুঁজছি ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে অনন্য মামুন পরিচালিত খোঁজ-দ্য সার্চ (২০১০) এবং আশরাফুর রহমান পরিচালিত তুমি আসবে বলে (২০১২) মুক্তি পায়। ২০১৪ সালে তিনি মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এক কাপ চা, নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত কঠিন প্রতিশোধ ও ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত কি দারুণ দেখতে ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। তারকাঁটা চলচ্চিত্রে মুসা ভাই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন।
২০১৬ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা (তারকাঁটা) (২০১৪) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছন।

লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড তারকা