বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

গ্ল্যামারের চুড়োয় থেকে না খেতে পেয়ে তিলে তিলে মৃত্যু

ফোরাম প্রতিবেদক / ৮৭ জন দেখেছেন
আপডেট : আগস্ট ৯, ২০২৩
গ্ল্যামারের চুড়োয় থেকে না খেতে পেয়ে তিলে তিলে মৃত্যু
দর্শক ফোরামের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন

বলিউড বললেই চোখে এক ঝকমকে চাকচিক্যপূর্ণ জীবন, লাইমলাইট এমনটাই মনে হয়৷ কিন্তু বাস্তবটা কী পুরোটাই তাই৷ না এর ঠিক একটা অন্য দিকও রয়েছে৷ যা গোপন, যা কালো, যা অন্ধকার৷ তারকারা তাঁদের সৌন্দর্য্য, ফ্যাশন সেন্স এবং দুর্দান্ত জীবনযাত্রার পাশাপাশি তাদের বিপুল পরিমাণ আয়ের জন্য বিখ্যাত। ইন্ডাস্ট্রিতে এমন অনেক তারকা আছেন, যাদের পারিশ্রমিক কোটি টাকা।কিন্তু এক সময়ের লক্ষ টাকা রোজগার করা তারকারা যাঁরা শেষ জীবনে বিনা চিকিৎসায় কিম্বা না খেতে পেয়ে মারা গেছেন এমনও আছে৷ চিনে নিন তাঁদের৷

কুকু মোর: অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান অভিনেত্রী কুকু মোর, যিনি ৪০ এবং ৬০ এর দশকের মধ্যে বলিউডে দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁর শেষ দিনগুলি দারিদ্র্যের মধ্যে কাটিয়েছেন। ১৯৮১ সালে তিনি ক্যান্সারে মারা যাওয়ার সময় তাঁকে কেউ মনে রাখেনি।

মীনা কুমারী: বলিউডের ট্র্যাজেডি কুইন মীনা কুমারীর জীবনও ট্র্যাজেডি মোড়াই। ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর সময়ের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রীদের একজন ছিলেন তিনি। জীবনের শেষ সময়ে এতটাই পরিস্থিতি খারাপ হয়েছিল যে হাসপাতালের বিল মেটানোর টাকাও তাঁর কাছে ছিল না। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

পারভিন বাবি: পারভিন বাবি, যিনি ৭০ এবং ৮০-র দশকের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী ছিলেন, তাঁর লাস্য, সৌন্দর্য্য আর পাঁচজন সমসাময়িক অভিনেত্রীর থেকে তাঁকে আলাদা করে দিয়েছিল৷ তিনিও শেষ বয়স চরম নিঃসঙ্গতায় কাটিয়েছেন, পরতে হয়েছিল আর্থিক সংকটের মুখেও৷ ২০ জানুয়ারি, ২০০৫এ যখন তার অ্যাপার্টমেন্টে তাঁর লাশ পাওয়া যায়, তার ২ দিন আগে তিনি মারা গিয়েছিলেন।

ভিমি: ৭০ -এর দশকে ‘হমরাজ’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করে একেবারে লাইম লাইট ছিনিয়ে নিয়েছিলেন৷ ভিমিও তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলি একাকীত্ব এবং আর্থিক সংকটে কাটিয়েছেন। ভিমির মৃত্যুর পর তাঁর মৃতদেহ ঠেলা গাড়িতে করে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

নলিনী জয়বন্ত: কাজলের দিদা শোভনা সমর্থের খুড়তুতো বোন নলিনী জয়বন্তও দারিদ্র্যের মধ্যেই মারা যান। বিনোদন জগতের কেউ কোনও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি৷ নলিনীর কাছে শেষ মুহূর্তে হাসপাতালের বিল মেটানোর টাকা ছিল না।

এ কে হাঙ্গল: বহু বিগ বাজেট চলচ্চিত্রের অংশীদার এ কে হাঙ্গল ২০১২ সালে মারা গেছেন৷ এ কে হাঙ্গলের শেষ দিনগুলোও কঠিন ছিল। শোনা যায় অভিনেতার চিকিৎসার জন্য কোনও টাকা অবশিষ্ট ছিল না, তখন অমিতাভ বচ্চন তাঁকে ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন।

ভরত ভূষণ: জুয়ার নেশা ভারত ভূষণকে শেষ করে দেয়৷ যিনি একসময় ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে সুদর্শন অভিনেতা ছিলেন, একের পর এক সুপারহিট৷ কিন্তু তিনি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়েছিলেন তিনি। ভরতের বিলাসবহুল জীবনযাপনের শেষ দিনগুলি ভাঙা বাড়িতে কাটে এবং ১৯৯২ সালে হতদরিদ্র অবস্থায় মারা যান৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ বিভাগের আরো খবর

২১ জুন-23 অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান