ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন লায়লা

ফোরাম প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫৩৫ জন দেখেছেন
RTV
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন লায়লা

হাল সময়ের ফোক গানের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী লায়লা ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আরটিভির প্রধান কার্যালয়ে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী লায়লা, আরটিভির প্রোগ্রাম এজিএম সৈয়দ সাবাব আলী আরজু, হেড অব মার্কেটিং সুদেব চন্দ্র ঘোষ, ব্যবস্থাপক ডিজিটাল অ্যান্ড সোশ্যাল মিডিয়া মোহাম্মাদ আবু নাসিম ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ ব্যাপারে লায়লা বলেন, আমার ‘লায়লা অফিসিয়ালস’ ইউটিউব চ্যানেলে দর্শকরা আগে থেকেই গান পাচ্ছেন। এবার নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। বেশ কিছু নতুন গান আসবে সামনে। সেসব গানের মিউজিক ভিডিও দর্শকরা চ্যানেলটিতে পাবেন। যেহেতু চ্যানেলটি আরটিভি ডিজিটালের তত্ত্বাবধানে থাকবে। আমার কাজটি অনেক সহজ হয়ে গেল।

সম্প্রতি লায়লার ‘সখি গো আমার মন ভালা না’ গানটি ইউটিউবে দুই কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এছাড়া ‘নয়া বাড়ি’, ‘চাঁদে ও চাঁদে গো’ গানগুলো শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। সবগুলো গান আরটিভি মিউজিক ইউটিউব চ্যানেলে থেকে প্রকাশ হয়।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

এ বছর (২০১৯) টেলিভিশন দর্শক এবং জুরীবোর্ডের বিবেচনায় লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ৩ জন।

ডা. এজাজুল ইসলাম

এজাজুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি মূলত একজন ডাক্তার। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মাধ্যমে তার নাটকে আগমন। পরবর্তীতে তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র শ্রাবণ মেঘের দিন। এর পর তিনি দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি তারকাঁটা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হন।
এজাজুল ইসলাম ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।
এজাজ একজন ডাক্তার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি গাজীপুর চৌরাস্তায় একটি চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখেন। তিনি সরকার নির্ধারিত ৩০০ টাকা ফিতে রোগী দেখেন। তার ভিজিট ফি কম হওয়ায় তাকে গরীবের ডাক্তার নামে ডাকা হয়। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে এজাজুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন।
এজাজুল ইসলাম হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক সবুজ সাথী দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন।[৯] ১৯৯৯ সালে হুমায়ূন আহমেদের শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। চলচ্চিত্রটির সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), শ্যামল ছায়া (২০০৪), নয় নাম্বার বিপদ সংকেত (২০০৬) ও আমার আছে জল (২০০৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত কমেডি ধাঁচের টক ঝাল মিষ্টি ছায়াছবিতে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৬ সালে বাদল খন্দকার পরিচালিত বিদ্রোহী পদ্মায় নায়েব, তৌকির আহমেদ পরিচালিত রূপকথার গল্প-এ রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার, এসএ হক অলিক পরিচালিত হৃদয়ের কথায় দারোয়ান চরিত্রে অভিনয় করেন। পরের বছর জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত স্বামীর সংসার ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। একই বছর মতিন রহমান পরিচালিত রোমান্টিক-কমেডি তোমাকেই খুঁজছি ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে অনন্য মামুন পরিচালিত খোঁজ-দ্য সার্চ (২০১০) এবং আশরাফুর রহমান পরিচালিত তুমি আসবে বলে (২০১২) মুক্তি পায়। ২০১৪ সালে তিনি মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত তারকাঁটা, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এক কাপ চা, নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত কঠিন প্রতিশোধ ও ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত কি দারুণ দেখতে ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। তারকাঁটা চলচ্চিত্রে মুসা ভাই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন।
২০১৬ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা (তারকাঁটা) (২০১৪) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছন।

লাইফ টাইম অ্যাচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ড তারকা